শীতের সকাল মানেই লেপ কাঁথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকা । পরিবারের ছোট থেকে শুরু করে বড়রা সবাই শুয়ে থাকে । একসময় পশুপাখির ডাকে ঘুম ভাঙ্গে । আযানের শব্দ কানে আসা মাত্র অনেক ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ শীতকে উপেক্ষা করে মসজিদে চলে যায় নামাজ আদায় করতে । আবার গ্রামে অনেক বয়স্কলোক সকাল বেলা ঘাসের উপর দিয়ে হাটতে চলে যায় । ঘাসের উপর শিশির কণা জমে থাকে । চারদিকে তখন থাকে কুয়াশায় ঘেরা । সকাল হয়েছে বলে বুঝাই যায় না । তবু যারা কর্মমুখী মানুষ তারা শীতকে উপেক্ষা করে ঘুম থেকে উঠে গোসল করে খাওয়া দাওয়া করে শীতের পোশাক গায়ে জড়িয়ে বের হয়ে যায় নিজ নিজ কর্মস্থলে রাখালেরা গরু ছাগল নিয়ে মাঠে চলে যায় শীতকে উপেক্ষা করে । শীতের সকালে নানা ধরনের পিঠা তৈরি করা হয় । শীতের সময় নানা ধরনের ফুল ফোটে থাকে । অনেক ছেলেমেয়ে স্কুলে যেতে চায় না শীতের কারণে । শীত বেশি হলে অনেকে আগুন করে আগুনের তাপ নেয় । একটু রোদের দেখা মিললেই ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা রোদে চলে যায় । শীতের সকল দীর্ঘ হয় না এক সময় সূর্য দেখা যায় পরে তার উত্তাপ আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়ে । এভাবেই একটি দিন শেষ হয়ে আবার চলে আসে শীতের আরেকটি সকাল ।
0 Comments
লক্ষ্য করুনঃ একটি পোস্ট করতে লেখকের অনেক শ্রম ও সময় দিতে হয় । আর সেই শ্রমের সার্থকতা পাওয়া যায় মন্তব্য থেকে । মন্তব্য পেলে লেখক আরো নতুন নতুন পোস্ট করার অনুপ্রেরণা পায় । তাই পোস্ট পড়ে উপকৃত হলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন ।